টিপাই মূখ
বাংলার দূঃখ।
নয়া মৃত্যুফাদ
উদ্দত জহ্লাদ
মারতে ভাতে
ডুবিয়ে পানিতে
মরুতে শুকিয়ে
ভূকম্পে গুড়িয়ে
ধংস হতে নাস
রাহুর উললাস।
টিপাইয়ের বাধ
দালালের আহ্লাদ
জহ্লাদের পৌষমাস
বাংলার সর্বনাস।
টিপাই মূখ
বাংলার দূঃখ।
নয়া মৃত্যুফাদ
উদ্দত জহ্লাদ
মারতে ভাতে
ডুবিয়ে পানিতে
মরুতে শুকিয়ে
ভূকম্পে গুড়িয়ে
ধংস হতে নাস
রাহুর উললাস।
টিপাইয়ের বাধ
দালালের আহ্লাদ
জহ্লাদের পৌষমাস
বাংলার সর্বনাস।
ইচিং বিচিং ফাক
ধিতাং তাদিং তাক
ইনাক তিনাক পিনাক
ময়ূর পূচছ কাক।
ইনাক তিনাক পিনাক
বাকুম বুকুম বাক
দেখি মধূ মৌচাক
হুককা হুয়া হাক।
ইনাক তিনাক পিনাক
গলিয়ে উচচ নাক
শিয়াল সাজিযে বাঘ
হালুম হুলুম হাক।
ইচিং বিচিং ফাক
ময়ূর পূচছ কাক।
ইনাক তিনাক পিনাক
আদ্যি বাংলার কাক।
একজন সাধারন
অতি সাদা সিদা
গ্যানেগুনে কির্তীবান
মহীয়ান সুধা।
উচু নিচু সাদা কালো
সকলে বেসেজে ভালো
মারিয়ে ময়লা ধুলো
জাতিরে দেখালে আলো।
পরমানু শক্তি তত্ব
জাতিরে দিশালে পথ্য
গ্যানিছো সকল তথ্য
লড়েছিলে আম্রিত্য।
একজন সাধারন
অতি সাদা সিদা
জাতির দিশারী সেযে
মহী্যান সুধা।
বাড়ী নি্যে বারাবারি
হলে হলে মারামারি
দাদা গোর দাদাগিরী
চাইনাযে কোন তারি।
চূল ধরে চূলোচূলি
মূখে ছুরে কাদাবালি
হিংসার দলাদলি
হোক দূর সব কালি।
স্বদেশের মাঠ জল
বিশ্ব ভরা জনবল
চৌকষ সেনাদল
বাংলার মনোবল।
কারো চোখে মায়া জল
হবোনা যে তার তল,
ছোট দেশ বড় আশা
সবি মিলে গরি খাসা।
উৎসর্গ:
মহান কবি আল মাহমূদ কে
————————
অচিন পূরে ছিল যে এক রাজা
ছিল তাহার তিনশ ঘোড়া তাজা।
আরযে তাহার মহা রাজ দরবার
ঘোড়া সবি ছিল পারিষদ উহার।
রাজার জুড়ে তারা সারারাজ্য জুরে
চলত দাপটের সাথে উড়ে উড়ে।
রাজার ছিল পাচশ বিঘা জমি খাস
পাচশ গরু তাতে করতো চাষ বাস।
গরু গুলো ছিল দারুন নাদুস নূদুস
খাসের ঘাস খেয়ে যেন হচ্ছিল মোষ।
এইনা দেখে সকল ঘোড়ার দলে মিলে
লোভে হল এক সবাই দলাদলি ভুলে।
দাবী খাসের ঘাস তারা করে আবদার
ফলে হবে ভারসাম্য আর সমঅধিকার।
রাজা শুনে কন তবে ঢাকো দরবার
গরু ঘোড়া রবে সম পারিষদ তার।
তোরাব আলী জংগী
থলে বিড়াল সংগী।
কখনো পরেন ধূতি
কখন ও টূপি লুংগী।
যত্ত দাগী কালো চোরা
সব্বি তিনার সভ্য শুরা
আছে মনিব তারো প্রভূ
এপার ওপার বিশ্বজোরা।
পেয়ে প্রভূর বল ভরসা
খেলে খেলা সরবনাসা,
বিড়াল সহ খেলেন ধরা
ভেংগে রিদয় প্রভূর আশা।
থলে বিড়াল সংগী
খেলো ধরা জংগী।
এখন বাংলার জল লালে লাল।
আমার ভাইয়ের তাজা খূনে
মিশে একাকার।
এখন দেশের মাটি ফেটে চৌচির
হিংস্র হায়েনার পদভারে
প্রকম্পিত দলিত মথিত।
মা কাদছে ভাই কাদছে
কাদছে আমার দেশ।
এযেন নতুন একাত্তর
সেই বর্বর পশুর দল।
এখন বাংলার জল
লালে লাল।
আমার ভাইয়ের তাজা খূনে
মিশে একাকার।
দাদা নাকি দিবেন আদা
আরো দিবেন ঘোড়া গাধা
পাঠাতে চান কুকুর
সংগে দিয়ে মুগুর।
তাহার বড় খায়েস
খাবেন ইলিশ পায়েস।
একটাই তার দাবী
চাইযে ঘরের চাবী।
কেনা আছে দারোয়ান
কথা তাই কানে কান।
সময় তাহার অল্প
নাই তাই আর গল্প।
দাদা দিবেন আদা
আরো ঘোড়া গাধা।
হই হই রই রই
ঘোলা পানি হলো দই।
হই হই রই রই
মাইনাস পাট্টিরা কই?
তন্তর মন্তর
পানি ঘোলা যন্তর
মিছে সবই
সবই ফাকি অন্তর।
নাই মামা নয় ভালো
থাক মামা খোরা কালো
লোভী দালাল লাঠিয়াল
খেয়েছে ধরা বমাল।
হই হই রই রই
ঘোলা পানি হলো দই।
ইব্রাহিম সেনা ধান ভানে
আয়েন ভাজে খই,
ঠাকূর ঘরের বুইড়া কহে
আমি চোরা নই।
আমি যে এক বিশ্ব প্রেমিক
কবির কবি প্রেমে নির্ভীক,
লং ড্রাইভে চালাই গাড়ী
ফূলের মধূ নিতেই পারি।
দেখতে বটে লম্বা চোরা
ভিমরতি ধর হইবা বূড়া
বলূক সবাই স্বৈরাচার
লাজলজ্জা নাই আমার।
ভিমরতি ধর শুনরে বূড়া
পেয়েছিস তুই এবার ধরা
বাধবো তোরে পিঠ মোরা
ভাংবো কোমর করবো গুরা।